Astrological Benefits of Moonstone (মুনস্টোন পাথরের উপকারিতা)
Astrological Benefits of Moonstone: (চন্দ্রকান্তমনি) কে বাংলায় মুন পাথর বলা হয়, অনেক জ্যোতিষ আবার একটু কঠিন করে “চন্দ্রকান্ত মনি” বলে থাকে। রাশি তত্ত্ব হিসেবে যাদের চন্দ্র গ্রহের খারাপ প্রভাব রয়েছে তাদের মুন পাথর ব্যবহার করতে বলা হয়ে থাকে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে মুন পাথর পাওয়া গেলেও ইন্ডিয়ান এবং শ্রীলঙ্কান মুন পাথর বাংলাদেশে বেশী পাওয়া যায়, এছাড়া তানজানিয়া তে বিভিন্ন রঙের মুন পাথর পাওয়া যায়। যাকে আমরা কালার মুন বলে থাকি। চন্দ্রকান্তমণি সুখ, অনুগ্রহ, সৌভাগ্য, আসা, আধ্যাত্মিক অন্তর্দৃষ্টি, সহজ সন্তান জন্মদান, পানি পথে নিরাপদ ভ্রমণ, পরিবর্তন, প্রাচুর্যতা ও প্রাচীন প্রজ্ঞতার নতুন সূচনা ও সমন্বয়কে পোষণ করে। বিশেষ করে পানি চিহ্নের জন্য। মাতৃসুলভ ভালবাসা সমর্থন ও উৎসাহের জন্য। • এ পাথর আমাদেরকে অনুভবের সংস্পর্শে নিয়ে আসে এবং এটা চাঁদের সাথে সম্পর্কিত। • নারী ও প্রকৃতির জন্য চন্দ্রকান্তমণি সুরক্ষা মূলক এবং এটা চন্দ্রদেবীর জন্য পবিত্র। • নতুন সূচনা, পূনর্জন্ম • ব্যাথা ও অসুস্থ্তাকে শোষণ করে।
আরও জানুন: রত্ন পাথর শোধন করার নিয়ম ও মন্ত্র জানতে ভিডিওটি দেখুন
রাসায়নিক গঠনসম্পাদনা উপাদান? Astrological Benefits of Moonstone?
(Chemical Composition)
কাঠিন্যতা (Hardness) : 10 (defining mineral)
আপেক্ষিক গুরুত্ব (Specific Gravity) : 3.52±0.01
প্রতিসরণাংক (Refractive Index) : 2.418 (at 500 nm)
Dispersion 0.044
আরও দেখুন: আমাদের সংগ্রহে রত্নপাথর (Gemstone)
মুনস্টোন পাথরের উপকারিতা কী? কেন ধারণ করা হয় এই রত্ন?
মুনস্টোন কে বাংলায় মুন পাথর বলা হয়, অনেক জ্যোতিষ আবার একটু কঠিন করে “চন্দ্রকান্ত মনি” বলে থাকে। রাশি তত্ত্ব হিসেবে যাদের চন্দ্র গ্রহের খারাপ প্রভাব রয়েছে তাদের মুন পাথর ব্যবহার করতে বলা হয়ে থাকে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে মুন পাথর পাওয়া গেলেও ইন্ডিয়ান এবং শ্রীলঙ্কান মুন পাথর বাংলাদেশে বেশী পাওয়া যায়, এছাড়া তানজানিয়া তে বিভিন্ন রঙের মুন পাথর পাওয়া যায়। যাকে আমরা কালার মুন বলে থাকি।
- সারা পৃথিবীর মধ্যে শ্রিলাঙ্কার ব্লুমুন পাথর বিখ্যাত। এ রত্ন আপনার আবেগের নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে আবেগকে দমিয়ে রাখা বা প্রকাশ করার পরিবর্তে আপনার ইচ্ছার অধীনে নিয়ে আসার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। চন্দ্রকান্ত মহান মাতৃদেবীকে উপস্থাপন করে।
- তার শক্তি রয়েছে তার ভদ্রতার মধ্যে এবং তার অভিজ্ঞতা ও প্রক্রিয়ার মধ্যে এবং এ শক্তি তার অনুভবকে নিরপেক্ষ করে। অভিলাষ,অন্তর্জ্ঞান ও ভারসাম্যের পাথর। আমাদের অমায়িক মেয়েলি দিকের মাধ্যমে সবাইকে আরো স্বস্তিপূর্ণ হতে সহায়তা করে। আপনার প্রয়োজনীয় সবকিছু আনয়ন করে।
আরও পড়ুন: দেহের কোথায় তিল থাকলে কি হয়?
Astrological Benefits of Moonstone?
এই রত্নটি চন্দ্র গ্রহের উপরত্ন হিসাবে ব্যবহত হয়। মুক্তার বিকল্প হিসাবে এটির ব্যবহার। উদরাময়, জ্বর, যক্ষ্মা, মানসিক চাঞ্চল্য, মাথাব্যথাতে খুবই উপকারী। বালক-বালিকাদের দৈহিক পুষ্টি সাধনে বিশেষ ফলদায়ক।
বর্ণ : সাধারণত নীলাভ অথবা হলুদাভ বর্ণের ছোপের সাথে দুধালো সাদা বর্ণ। সাদা, গোলাপি, হলদে, কোমল আভার সাথে সাথে আলোকভেদ্য।
শারিরীক: স্ত্রীলোকদের হরমোন/রজ:স্রাবের ভারসাম্যহীনতা, লিম্ফ, কলা ও অঙ্গসমূহ পুনরুৎপাদন করে। প্রজনন তন্ত্রের নিরাময় করে।
ক্যারিয়ার : হেলথ কেয়ার- ডাক্তার, নার্স, টেকনিশিয়ান ও অন্যান্য স্বাস্থ্য সেবা কর্মী। অন্যান্য – নাবিক, উপকূলরক্ষী
র্মকান্ড: – উদ্যানকরণ, ভ্যাকেশন, সাতার ও পানির খেলা। চন্দ্রকান্তমনি চাঁদের মত স্নিগ্ধ। উপরিভাগ উজ্জ্বল, মসৃণ। এই রত্নটি স্বচ্ছ থেকে অস্বচ্ছ হয়ে থাকে। এর উৎপত্তি আগ্নেয় বা রূপান্তরিত শিলা থেকে। এই রত্নটিকে আরবীতে হাজরুল কামার, ইংরেজীতে মুনস্টোন ও বাংলায় চন্দ্রকান্তমণি বলে। সাদা ঘোলাটে, স্বচ্ছকাঁচের মত হরিদ্রাভ সাদা, রক্তাভ সাদা আভাযুক্ত হয়ে থাকে।
আরও পড়ুন: রাশি অনুযায়ী আপনার চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য
মুনস্টোন রত্ন পাথরের গুনাগুন ও উপকারিতা নিম্নরূপ?
আবেগ নিয়ন্ত্রণে রাখাতে এবং চিন্তা শক্তি বাড়াতে মুন পাথর উপকারী। ✤ যাদের প্রচণ্ড রাগ, যারা অল্পতে খুব বেশী রেগে যান তাদের রাগ প্রশমিত হতে পারে মুন পাথর ব্যবহারের ফলে। ✤ চৌকশতা বাড়াতে মুন পাথর ব্যবহার করা যেতে পারে। ✤ জ্যোতিষ শাস্ত্রে যেদিন থেকে মনে করা হয় চাঁদ মানুষের মন কে নিয়ন্ত্রণ করে ঠিক সে দিন থেকে মুন পাথরকে ব্যবহার করা হয় মানুষের মনের শান্তির জন্য। ✤ ধ্যান, স্থিরতা জন্য এ পাথর খুব খুব উপকারী। ✤ যদি কেও তার দুচোখের উপর মুন পাথর ছোঁয়ায় তাহলে সাথে সাথে তিনি একটি শীতল অনুভূতি পাবেন। ✤ মানুষিক স্থিরতা বঝায় রাখার জন্য এ পাথর বেশ উপকারী। ✤ মেয়েদের শারীরিক হরমনের ভারসাম্য রাখতে সাহায্য করে মুন পাথর, বিশেষ করে ঋতুচক্র ও সন্তান প্রসবের ব্যাথা কমাতে সাহায্য করে।
✤ ছেলেদের অতিরিক্ত রাগ কমাতে সাহায্য করে থাকে মুন পাথর। ✤ যে মানুষ গুলো দুশ্চিন্তা গ্রস্থ, আত্মবিশ্বাসের অভাবে ভুগে থাকেন তাদের জন্য উপকারী রত্ন পাথর মুন। ✤ মুন পাথর নাক দিয়ে রক্ত পরা, বদ হজম ও সান স্ট্রোক থেকে রক্ষা পেতে সাহায্য করে। ✤ অনেকে আবার মুন পাথরকে ভালোবাসার পাথর বলে থাকেন। প্রকৃত ভালোবাসার মানুষটিকে খুঁজে পেতে নাকি মুন পাথর সাহায্য করে থাকে। ✤ সন্তান জন্মদানের ক্ষমতা বৃদ্ধিতে মুন পাথর সাহায্য করতে পারে। ✤ অনিদ্রা জনিত সমস্যায় মুন পাথর খুব উপকারী।
রত্ন পাথর পরার পূর্বে?
মুন স্টোন রিং পরার বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়ার পূর্বে অবশ্যই আপনারা সব সময় ভাল রত্ন বিশেষজ্ঞ, বিশেষ করে যারা বংশগত ভাবে জহুরী রয়েছেন তাদের সহযোগিতা নিয়ে তাদের পরামর্শ নিয়ে সঠিক ভাবে মুনস্টোন রত্ন ধারণ করার চেষ্টা করবেন, কারণ তাদের মাধ্যমে সঠিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শুদ্ধ শোধন করে মুনস্টোন পাথর পড়লে আপনি অবশ্যই দ্রুত ফলাফল ভাল পাবেন। মুনস্টোন পাথর পরার বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়ার পূর্বে অবশ্যই বাংলাদেশ ও ভারতবর্ষে পুরস্কার প্রাপ্ত রত্ন বিশেষজ্ঞ ও ৪৩ বছরের অভিজ্ঞ বংশগত জহুরী, তান্ত্রিক গুরু ও Astrologer Doyal Delowar Chishti জ্যোতিষ রাজ দয়াল দেলোয়ার চিশতীর সঙ্গে পরামর্শ করুন।
জ্যোতিষরাজ – দয়াল দেলোয়ার চিশতী- স্বর্ণ পদক প্রাপ্ত
পুরস্কার প্রাপ্ত রত্ন বিশেষজ্ঞ, অভিজ্ঞ বংশগত জহুরী, হস্তরেখাবিদ, গ্রহরত্ন নির্বাচক, জ্যোতিষ শাস্ত্রী, তান্ত্রিক, তন্ত্র শাস্তের উপর বাস্তব অভিজ্ঞতা সম্পন্ন।
বাংলাদেশ ও ভারত বর্ষে পুরস্কার প্রাপ্ত দীর্ঘ ৪২ বছরের অভিজ্ঞ রত্ন বিশারদ (রত্ন বিশেষজ্ঞ) বিচক্ষণ এবং দূরদৃষ্টি সম্পন্ন হস্তরেখাবিদ জ্যোতিষ। খাজা বাবার রুহানি সন্তান দয়াল দেলোয়ার চিশতী (Doyal Delower Chishti), তিনি আজমীর শরীফের খেলাফত প্রাপ্ত খাদেম। রত্ন পাথর সম্পর্কে তার রয়েছে ● বাস্তব অভিজ্ঞাতা ● সনাতন এবং ● আধুনিক অভিজ্ঞতা। আর হতাশা নয় সফলতার জন্য আজই চলে আসুন। রত্ন বিশেষজ্ঞ সাথে অনলাইনে নিরাপদে ব্যক্তিগতভাবে কোন সাক্ষাৎকার ছাড়াই চ্যাট এবং কল করে রত্নপাথর বিষয়ে পরামর্শ নিন














